বৃহস্পতিবার   ১৩ জুন ২০২৪ || ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ || ০৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

অপরাজেয় বাংলা :: Aparajeo Bangla

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১১

খ ম হারূন

১৭:২০, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

আপডেট: ০০:১৫, ১৯ ডিসেম্বর ২০২০

১৬২৬

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১১

শঙ্কিত পদযাত্রা

ধারাবাহিক আত্মকথা

। খ ম হারূন ।
 

খ্যাতিমান টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব খ ম হারূন। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন দেশের টেলিভিশন এবং মঞ্চের সাথে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্বর্ণময় সময়ে যে কয়েকজন নির্মাতা-প্রযোজকের নাম ছোট পর্দার কল্যাণে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে খ ম হারূন তাদের একজন। দীর্ঘ বর্ণিল ক্যারিয়ারে অসংখ্য উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন তিনি। এখনো রয়েছেন সমান সক্রিয়। দেশের গণমাধ্যম জগতের বরেণ্য এই ব্যক্তিত্বের আত্মকথা ‘শংকিত পদযাত্রা’ ধারাবাহিকভাবে
প্রকাশিত হচ্ছে অপরাজেয় বাংলা’য়।

 

[পর্ব-১১]

১৯৮২ থেকে প্রায় দশ বছর। টিভি ভবনের তিন তলায় একটা বড় রুমে আমরা ছয়জন প্রযোজক একসাথে বসি। আলী ইমাম, ম হামিদ, আবু তাহের, ফরিদুর রহমান, মাহবুবুল আলম ও আমি। কিছুদিন আল মনসুরও বসেছিলো। হঠাৎ কি মনে হলো চাকরি ছেড়ে দিয়ে রীটা ভাবীকে নিয়ে আমেরিকা চলে গেলো। আল মনসুরের আগে নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু টেলিভিশনের চাকরি ছেড়ে দেয়। এর কয়েক বছর পর সালেক খানও স্টাডি লিভ নিয়ে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে যায় পিএইচডি করতে। পরে সে আর ফিরে আসেনি। আমরা তিনজন তারকা প্রযোজককে হারালাম। তিনজনই ছিলো মঞ্চ ও টিভিতে জনপ্রিয়।

আমাদের রুমটা যথেষ্ট বড় ছিলো। তখন বিটিভির প্রায় পঁচাত্তর শতাংশ অনুষ্ঠান ও নাটক নির্মিত হতো এই কক্ষ থেকেই। স্বাভাবিকভাবেই প্রচুর শিল্পীর আনাগোনা ছিলো, সেই সকাল নয়টা হতে রাত এগারোটা পর্যন্ত আলাপ আর আড্ডায় মুখরিত থাকতো কক্ষটি। 

মহাধ্যক্ষ (জিএম) মোস্তফা কামাল সৈয়দ, অনুষ্ঠান অধ্যক্ষ আতিকুল হক চৌধুরী ও মুস্তাফিজুর রহমান বসতেন দোতলায় নির্ধারিত কক্ষে। আবদুল্লাহ আল মামুন তখন পরিচালক (অনুষ্ঠান), আর খালেদা ফাহমী ছিলেন উপ মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান), দুজনই তিনতলাতে বসতেন। এছাড়া মোহাম্মদ বরকতউল্লাহ, নওয়াজিস আলী খান, মুসা আহমেদ, জিয়া আনসারী, কাজী কাইয়ূম, আলীমুজ্জামান দুলু- তারা সবাই দোতলায় নিজ নিজ রুমে বসতেন। কোনো কোনো রুমে দুজনও বসতেন। সরকার ফিরোজউদ্দিন ছিলেন উপস্থাপনা সম্পাদক। তার দু'কক্ষ বিশিষ্ট আলাদা অফিস ছিলো দেতলায়। সেখানে একটা রূমে প্রেজেন্টেশন কন্ট্রোলার যারা ছিলেন তারা বসতেন। কাজী আবু জাফর সিদ্দিকী দীর্ঘ সময় জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে (নিমকো) ছিলেন। কিছুদিন তিনি বিটিভিতে প্রেজেন্টেশন এডিটরের দায়িত্বও পালন করেছেন। 

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ, সেনাপ্রধান লে. জেনারেল এরশাদ সামরিক আইন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। সামরিক শাসনের সাথে সাথে একজন মেজরের নেতৃত্বে কিছু সৈনিক বিটিভির সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়। অনেক অনেক কঠিন আদেশ জারি হয়। বিটিভির একজন সিকিউরিটি কর্মকর্তার চাকরি চলে যায় সামরিক আইনে। আমরা নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করি। একদিন প্রযোজক আলী ইমামকে বিটিভি ভবনের নীচতলা থেকে অ্যারেস্ট করে নিয়ে যায়। তখনো এম এ সাঈদ মহাপরিচালক। দায়িত্বপ্রাপ্ত মেজর সাহেব বিটিভির মহাপরিচালককে বিষয়টি জানানোরও প্রয়োজন মনে করেন না। 

এরই মাঝে একদিন সকালে অফিসে ঢুকতেই শুনি গেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে কর্মরত সৈনিকেরা প্রযোজক আল মনসুর ও আবুল হোসেনকে অ্যারেষ্ট করে নিরাপত্তা কর্মকর্তার রূমে বসিয়ে রেখেছে। তাদেরকে যে কোনো সময় রমনার কন্ট্রোল রূমে নিয়ে যাওয়া হবে। 

বিটিভির কর্মকর্তারা ব্যাপারটা ভালোভাবে নিতে পারেন না। এর আগে ১৯৭৫ এর ৭ নভেম্বরে বিটিভিতে দায়িত্বপ্রাপ্রাপ্ত সৈনিকেরা বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (অনুষ্ঠান) মনিরুল আলম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবি সিদ্দিক, প্রধান হিসাবরক্ষক আকমল খান ও চিত্রগ্রাহক ফিরোজ কাইয়ূম চৌধুরী- এই চার কর্মকর্তাকে টিভি ভবনের পেছনে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। সাড়ে ছয় বছর পর আবার কি সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে? আমরা আতঙ্কিত হই।

অল্প সময়ের মধ্যে দোতলা থেকে অনুষ্ঠান অধ্যক্ষ মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে সকল বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নীচে নেমে আসেন। ট্রান্সমিশন শাখার প্রকৌশলীরা বিটিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। একাত্তরেও যা ঘটেনি তাই ঘটলো। সৈনিকরা আমাদের দিকে রাইফেল তাক করে আছে। তার মাঝেই আমরা সবাইকে নীচে নেমে আসার অনুরোধ করি। মনে আছে সেদিন শুধু আতিকুল হক চৌধুরী ও কাজী আবু জাফর সিদ্দিকীকে আমাদের সাথে পাইনি। 

সময় যেতে থাকে, ক্ষোভও বাড়তে থাকে।। উপরের নির্দেশে সৈনিকেরা আল মনসুর ও আবুল হোসেনকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। মেজর সাহেব বার বার আমাদেরকে অনুরোধ করতে থাকেন টিভি সম্প্রচার চালু করতে। চালু হয় না। পরে তিনি মহাপরিচালক এম এ সাঈদের কাছে যান। এম এ সাঈদ তাকে রুমে ঢুকতে দেন না। এরপর একজন মেজর জেনারেল আসেন মহাপরিচালকের সাথে দেখা করতে। মহাপরিচালক দেখা করেন না। এরমধ্যে সৈনিকেরা রাইফেল নামিয়ে ফেলে। বিটিভির নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা বিটিভির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়ে নেয়। তারা প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়। এর মাঝে সে সময়ের তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বিটিভি ভবনে এসে হাজির হন। তিনি ভবনের ভিতরে ডিজি সাহেবের কক্ষে যাবার চেষ্টা করলে কর্মচারীদের বাধার মুখে পড়েন। তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে বলেন ‘আমিতো আপনাদেরই লোক। আপনাদের জন্যইতো আমি মন্ত্রী, দয়া করে সম্প্রচার চালু করুন, নাহলে আমার চাকরি থাকবেনা।’ কিন্তু তার কথা মতো কাজ হয়না, কারণ ১৯৭৫ এ তার ভূমিকা ছিলো বিতর্কিত। মুস্তাফিজুর রহমান জানিয়ে দেন, জেনারেল এরশাদ স্বশরীরে এসে যদি দুঃখপ্রকাশ করেন, বিটিভি থেকে আর্মি ক্যাম্প যদি সরিয়ে নেয়া হয়, সেই সাথে যদি পঁচাত্তরের সাত নভেম্বর বিটিভির চার কর্মকর্তা হত্যার বিচার প্রক্রিয়া যদি শুরু করার আশ্বাস দেয়া হয়, তবেই বিটিভি সম্প্রচারে ফিরবে।

শাহ মোয়াজ্জেম ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান। সে সময়ে লে. জেনারেল এরশাদ বঙ্গভবনে অবস্থান করছিলেন। শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন বঙ্গভবনে গিয়ে এরশাদকে সবকিছু জানান। পরে এরশাদের বার্তা নিয়ে টিভি ভবনে আসেন সে সময়ের উপ সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল আতিকুর রহমান। বঙ্গভবনে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিটিভি টিমের কাছে এরশাদ তার বক্তব্য দেন। ধারনকৃত সে বক্তব্যে তিনি বিটিভির কর্মকর্তা কর্মচারীদের সব দাবি মেনে নেয়ার কথা জানান। যা পরে টিভি নিউজে প্রচারিত হয়। 

জেনারেল আতিক এরশাদের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করেন এবং বিটিভিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত আর্মি অফিসারকে ক্যাম্প গুটিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। সৈনিকেরা ক্যান্টনমেন্টে ফিরে যায়। পুনরায় শুরু হয় বিটিভির নিয়মিত সম্প্রচার। 

তবে এর কিছুদিন পর মহাপরিচালক এম এ সাঈদ কে বিটিভি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। আর পরিচালক (প্রশাসন) এম এ মান্নান কে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার করে ঢাকার বাইরে শরিয়তপুরের ইউএনও করে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরশাদ ক্ষমতায় আসার কিছুদিনের মধ্যেই উপজেলা পদ্ধতি চালু করেন। এম এ মান্নান (বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রী) ছিলেন শরিয়তপুরের প্রথম ইউএনও। কর্মদক্ষতার কারণে এম এ মান্নানকে পরবর্তিতে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক করা হয় এবং এম এ সাঈদ কে শিক্ষা সচিব। প্রযোজক আলী ইমামকেও বিটিভিতে তার দায়িত্বে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয়া হয়। 

সে সময় সমাজে বিটিভির যে বিশাল ভূমিকা আছে তা ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলেন জেনারেল এরশাদ। বিটিভির বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তিনি আস্থায় রাখার জন্য তার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। এরশাদের সময় বিটিভিতে অনেক ভালো ভালো অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে করা সম্ভব ছিলো। তবে টিভি নিউজের ক্ষেত্রে যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণ ছিলো। 

জিয়া এবং এরশাদ আমলের প্রথমদিকে ‘স্বাধীনতা দিবস’ বা ‘বিজয় দিবস’র কোনো অনুষ্ঠানে একটু সত্য উচ্চারিত হলে পাকিস্তান হাই কমিশন আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আপত্তি জানাতো। আমরা প্রযোজকেরা মন্ত্রণালয় হতে কড়া বার্তা পেতাম। তবে সে সময় অধিকাংশ সচিব, যুগ্মসচিব পর্যায়ের কর্মকর্তারা ছিলেন সিএসপি অফিসার, যারা নেপথ্যে থেকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজ করতেন। সেই সব আমলারা মাঝে মাঝে আমাদের উদ্ধার করতেন কোনো সমস্যায় পড়লে।

১৯৮৯, তখন এরশাদ বিরোধী আন্দোলন চলছে। শ্রদ্ধেয় আব্দুল্লাহ আল মামুন আমাকে একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নাটক করতে বললেন স্বাধীনতা দিবসে। নামী দামী নাট্যকারদের কাছে স্ক্রিপ্ট চাইবার মতো পর্যাপ্ত সময়ও নেই। তাই একরাতে বসে লিখে ফেললাম শহীদ বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে একটি বিশেষ নাটক ‘স্মৃতি বর্তমান’। নাটকে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বুলবুল আহমেদ ও মেঘনা। এছাড়া ছিলেন কামালউদ্দিন নীলু, ওবায়দুল হক সরকারসহ অনেক গুণী অভিনেতা।

রশীদ হায়দার সম্পাদিত স্মৃতি ’৭১ এর বিভিন্ন চরিত্র নিয়ে নাটকটি রচিত। বুলবুল আহমেদ ও মেঘনা নানা বুদ্ধিজীবিদের চরিত্রে রূপান্তরিত হতেন। নাটকে শহীদ ডা. আলীম চৌধুরী এবং তার স্ত্রী শ্যামলী নাসরীন চৌধুরীর চরিত্রও ছিলো। শ্যামলী আপা তখন উদয়ন উচ্চ বিদ্যালয়য়ের অধ্যক্ষ। তিনি অনেক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছিলেন। ঐ নাটকের একটি রাজাকার চরিত্র মাওলানা মান্নান। যিনি আলীম চৌধুরীকে আল বদরদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। ঐ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ওবায়দুল হক সরকার।

যে সময়ে নাটকটি বিটিভি থেকে সম্প্রচারিত হয় সে সময়ে মাওলানা মান্নান ছিলেন এরশাদ সরকারের একজন মন্ত্রী। সুতরাং নাটকটি প্রচারিত হওয়ায় সরকার দারুণ ক্ষেপলো আমার উপর। বিটিভি থেকে আমার শাস্তিমুলক বদলি তখন প্রায় নিশ্চিত। তখন বিটিভি’র কর্ণধার ছিলেন সাইফুল বারী। তিনি নিজেও একজন কবি। এরশাদের ঘনিষ্টজন। তথ্য মন্ত্রণালয় আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করবে না সরাসরি শাস্তি দেবে এ বিষয়ে একটি সভা আয়োজন করা হয়েছে। সেই সভায় মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত ছিলেন সাইফুল বারীসহ বিটিভি’র নাটক বিভাগের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন। 

সাইফুল বারী আমার বদলীর পক্ষে সিদ্ধান্ত দিলেন। তবে মামুন ভাই (আব্দুল্লাহ আল মামুন) বেঁকে বসলেন। তিনি বললেন, ‘শাস্তি খ ম হারূন কে কেনো দেবেন, আমাকে দিন। কারণ নাটকের স্ক্রিপ্ট আমিই অনুমোদন করেছি।’ নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়াই মিটিং শেষ হয়।

এরমধ্যে একদিন আমার বাসায় সরাসরি ফোন করলেন একজন প্রভাবশালী আমলা মোফাজ্জল করিম। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্নেহভাজন ছিলেন এবং জেলা গভর্নর পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। মোফাজ্জল করিম নিজেও একজন কবি ও লেখক। ভদ্রলোক আমার নাটকের খুব প্রশংসা করলেন এবং বললেন এ ধরনের সাহস যেনো আমি আগামীতেও অব্যাহত রাখি। তারা আমার পাশেই আছেন। পরে শুনলাম কয়েকজন আমলা আমার পক্ষে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব কে বলেছিলেন, খ ম হারূনের বিরুদ্ধে যাতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থ গ্রহণ করা না হয়। 

মজার বিষয় হলো যে সব আমালাদের চিনতাম না, তারাই নেপথ্যে থেকে সেই কঠিন সময়েও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অনেক কাজ করে গেছেন।

চলবে...

আগের পর্ব পড়ুন

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১০

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৯

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৮

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৭

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৬

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৫

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৪

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৩

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১

Kabir Steel Re-Rolling Mills (KSRM)
Rocket New Cash Out
Rocket New Cash Out
bKash
Community Bank