বুধবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ || ১৪ আশ্বিন ১৪২৮ || ১৯ সফর ১৪৪৩

অপরাজেয় বাংলা :: Aparajeo Bangla

সিলেট: অশোভন ইঙ্গিতে হুমকিতে সৌহার্দ্যের পরিবেশ

কবির য়াহমদ, সাংবাদিক ও লেখক

১৮:৪৯, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আপডেট: ১৫:২৩, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১

৫৩০

সিলেট: অশোভন ইঙ্গিতে হুমকিতে সৌহার্দ্যের পরিবেশ

সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আরিফুল হক চৌধুরীর অশোভন একটা ইঙ্গিতে সিলেটের দীর্ঘদিনের রাজনীতির সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্টের উপক্রম হয়েছে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনা করতে গিয়ে ‘গণ্ডারের চামড়া’র সঙ্গে তুলনার মাধ্যমে মূলত এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছে। সিটি মেয়র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা, দুই-দুইবারের নির্বাচিত মেয়র, এরআগে তিনি একটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। ছিলেন প্রয়াত সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন, ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এবং বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের। এএমএ মুহিত ও এ কে আব্দুল মোমেন আওয়ামী লীগের লোক হলেও বিএনপি দলীয় মেয়রের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের অবনতি কখনও হয়নি, তবে মেয়রের সাম্প্রতিক বক্তব্যে নাখোশ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। এনিয়ে প্রতিক্রিয়াও ব্যক্ত করেছেন দলটি নেতা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকেরা।

ঘটনার শুরু গত ৫ সেপ্টেম্বর। এদিন সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। বরাবরের মত এবারও এদিন মৌলভীবাজার যান মেয়র আরিফ। সেখানে এক স্মরণসভায় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘এই (সিলেট) অঞ্চলে সাইফুর রহমানের স্মৃতিগুলো থেকে সাইফুর রহমানের নাম মুছে ফেলে দেওয়া হয়েছে; তেমনি আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়ার নামও মুছে ফেলা হয়েছে। আমাদের নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম মুছে ফেলছে। কিন্তু মুছে ফেললেও মানুষের মুখ থেকে নতুন নাম কিন্তু উচ্চারণ করাতে পারছে না। মানুষ এখনও জানে সেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সেই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, আজকে যেটা গর্ব করে বলেন—বিভাগীয় স্টেডিয়াম, যা-ই বলেন না কেন এই অঞ্চলে বলতে গেলে অনেক বলতে হবে। আমি শুধু বলবো, এদের সম্পর্কে কিছু বলে লাভ নেই। এদেরকে ধিক্কার দেয়া ছাড়া কোনো বক্তব্য আমার মুখেও আসছে না। এদের চামড়া এত শক্ত হয়েছে; যে গণ্ডারের চামড়া থেকে আরও বেশি। এদের গায়েও কিছু লাগে না।’ অনুষ্ঠানে মেয়র আরিফ আরও বলেন, ‘আর ঘুম থেকে উঠে তারা বিএনপি পরিবারের ওপর, শহীদ জিয়া থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান পর্যন্ত শেষ হয়। তসবির মতো জপতে থাকে। তাদের আর কোনো কাজ নেই। তারা সরকারে বসে ঘুমিয়ে আছে, ঘুম থেকে উঠে, কী বলব, ভাষায় বলার মতো নেই। তারা শেষ পর্যন্ত সব ধ্বংস করে দিয়ে এখন লাগছে পদকটা নিয়ে টানাটানিতে।’ সিলেট সিটির মেয়র অনুষ্ঠানে কারও নাম উল্লেখ না করলেও এটা যে আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করেই বলা সেটা সহজেই অনুমেয়।

মেয়রের এই বক্তব্য লুফে নিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়রের এই বক্তব্যের ভিডিয়োচিত্র প্রকাশ করে একে ‘সত্য বয়ান’ বলে আখ্যা দিচ্ছে তার অনুসারীরা। এতে স্বাভাবিকভাবেই নাখোশ স্থানীয় আওয়ামী লীগ। দলীয়ভাবে এর প্রতিক্রিয়া না জানালেও দলটি স্থানীয় শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে সকল স্তরের নেতাকর্মীরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে। এই বক্তব্যকে ‘উসকানিমূলক’ ও ‘কটূক্তিমূলক’ দাবি করে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘মেয়র সাহেব, আপনি ভুলে যাবেন না, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টানা দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়রের চেয়ারে বসে আছেন এবং ইচ্ছামত সরকারের টাকার অপচয় করছেন।’ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাকির হোসেন এটাকে ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে’ আখ্যা দিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি একটি কবিতার উল্লেখ করেছেন ফেসবুকে। অনেক আওয়ামী লীগ সমর্থক মেয়রের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ স্রেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না করে রাজপথেও করার দাবি জানাচ্ছেন।

সকলেই জানে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের পরিবেশে সিলেট সারাদেশে অনুকরণীয় এক নাম। এখানে দেশের অন্য অনেক জায়গার মত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বড় প্রকাশ নেই। সারাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেখানে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা সেখানে সিলেটে তারা তুলনামূলকভাবে অনেকটা বিনাবাধায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হলেও স্থানীয় এমপি ও মন্ত্রীদের কাছ থেকে যেধরনের সহযোগিতা পেয়ে আসছেন সেটা অভাবনীয়। বিএনপির এই নেতা সিটি মেয়র হলেও সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন, একই কথা প্রযোজ্য বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের ক্ষেত্রেও। তিনিও তার বড়ভাইয়ের মত সিটি মেয়রকে অত্যন্ত স্নেহ করেন, সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। আরিফের প্রতি মুহিত-মোমেনের এই অবস্থানে স্থানীয় আওয়ামী লীগ বিব্রত ও নাখোশ হলেও তারা এনিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলে না।

মেয়রকে মেয়রের সম্মান দিয়েছেন আবুল মাল আবদুল মুহিত, দিচ্ছেন এ কে আব্দুল মোমেন। এই রাজনৈতিক সৌহার্দ্য ও সহনশীলতার যে উদাহরণ তারা রেখে চলেছেন সেটা নিশ্চিতভাবেই অনুকরণীয়। দলীয় সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি তাদেরকে স্পর্শ করতে পারেনি। উন্নয়নের জন্যে দলমতের ঊর্ধ্বে ওঠার মানসিকতা যেভাবে রেখে চলেছেন তারা সেটা অভাবনীয় বলতেই হয়। অথচ একই সিটি করপোরেশনে আগে এমন অবস্থা ছিল না। সিলেট সিটি করপোরেশন গঠিত হওয়ার পর প্রথম মেয়র ছিলেন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান। ওই সময় অর্থমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদীয় আসন সিলেট-১ আসনের এমপি ছিলেন এম সাইফুর রহমান। আরিফুল হক চৌধুরী ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর। কামরান আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মেয়র হওয়ার কারণে বিএনপি দলীয় অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের কাছ থেকে ন্যূনতম সহযোগিতা পাননি। ওই সময় সিলেটে অনেক উন্নয়ন কাজ সম্পাদিত হলেও সেটা সিটি মেয়রকে পাশ কাটিয়ে তৎকালীন কাউন্সিলর আরিফুল হক চৌধুরীর মাধ্যমে করা হতো।

সিলেট সিটি করপোরেশন আইন ২০০১ [পরে এই আইন সিটি করপোরেশন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশসমূহ একীভূত, অভিন্ন এবং সমন্বিতকরণকল্পে প্রণীত ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন ২০০৯’ নামে সংশোধন করা হয়] অনুযায়ী করপোরেশনে একাধিক অভ্যন্তরীণ স্থায়ী কমিটি গঠনের বিধান ছিল। আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র কামরানকে পাশ কাটিয়ে সেই আইনে উল্লিখিত একটি স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে সবকিছু করা হতো। ‘নগর উন্নয়ন ও পরিকল্পনা’ নামে এই স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন এম সাইফুর রহমানের ঘনিষ্ঠজন ও প্রতাপশালী বিএনপি নেতা কাউন্সিলর আরিফুল হক চৌধুরী। অর্থমন্ত্রীর ক্ষমতায় বলীয়ান ছিলেন তিনি। মেয়রকে অগ্রাহ্য করে তিনিই ছিলেন সবকিছুর হর্তাকর্তা। আগে-পিছে পুলিশি প্রহরা নিয়ে ঘুরতেন তিনি। নগরে অবস্থিত তার বাসায় থাকত সার্বক্ষণিক পুলিশ প্রহরা। সিটি করপোরেশনের ভেতর আরেক সিটি করপোরেশন বানিয়ে রেখেছিলেন তিনি। এসব কিছুই করতেন তিনি রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে, এবং সাইফুর রহমানের ক্ষমতায় ক্ষমতাবান হওয়ার মাধ্যমে। পুরো বিএনপি আমলে এমনই অবস্থার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিল মেয়র কামরানকে।

আরিফুল হক চৌধুরী ওয়ান-ইভেলেনের সময় শীর্ষ পঞ্চাশ দুর্নীতিবাজ তালিকাভুক্ত হন। এরপর আওয়ামী লীগের আমলে মেয়র পদে নির্বাচন করে নির্বাচিত হন। মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি ঘটান। ‘উন্নয়নের স্বার্থে’ সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে থাকেন। অর্থমন্ত্রীর এই সহযোগিতা স্থানীয় আওয়ামী লীগ ভালোচোখে না দেখলেও উন্নয়নের স্বার্থে তারাও সেটা মেনে নেয়। আবুল মাল আবদুল মুহিতের পর স্থানীয় সাংসদ ও মন্ত্রী হন তার ভাই একে আব্দুল মোমেন, তিনিও ভাইয়ের দেখানো পথ অনুসরণ করেন। উন্নয়নের স্বার্থে সহযোগিতার হাত অব্যাহত রাখেন আরিফের প্রতি।

বিএনপি দলীয় মেয়র মন্ত্রী পরিবারের কতখানি ঘনিষ্ঠ তার প্রমাণে নির্বাচনের দিন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিতের একটা মন্তব্য উল্লেখের দাবি রাখে। ভোট প্রদান করে এসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘কামরান ভালো, আরিফও ভালো। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে আমি কামরানকে ভোট দিয়েছি’। নির্বাচনের দিন সাবেক অর্থমন্ত্রীর এমন বক্তব্য বেশ কাজে দিয়েছিল আরিফের। শাদা মনের অধিকারী নিপাট ভদ্রলোক মুহিত সরল মনে কথাটি বলেছিলেন নিশ্চিতভাবেই। এখানে তার এই যে ঔদার্যের পরিচয় এটা বিলুপ্তপ্রায় আমাদের রাজনৈতিক সহনশীলতার বিপরীতে দুরন্ত এক উদাহরণ।

আরিফের প্রতি মন্ত্রীপরিবারের এই সহযোগিতা-ভালোবাসা রাজনৈতিক কিংবা আদর্শিক নয়। এটা মূলত উন্নয়নের স্বার্থে। দলমত নির্বিশেষে সকলকে নিয়ে সুন্দর সিলেট গড়ার অভিপ্রায়ে। সংকীর্ণ দলীয় দৃষ্টিভঙ্গির স্থান পায়নি এখানে। এটাকে ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন আরিফ। মন্ত্রীপরিবারের এই সহযোগিতার কারণে অপরাপর মন্ত্রীরাও সিলেট সিটির উন্নয়ন নিয়ে রাজনৈতিক সংকীর্ণতায় ভোগেন এমন কিছুর প্রমাণ মেলে না। এর প্রভাব যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পর্যন্ত বিস্তৃত সে প্রমাণ বিভিন্ন সময়ে মিলেছে। ফলে সিলেটের উন্নয়ন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীও আরিফকে বিএনপির লোক ভেবে ভিন্ন চোখে দেখেছেন এমনটা প্রধানমন্ত্রীর বিরোধিতাকারীরাও বলতে পারবে না।

মেয়র আরিফ নিজেও জানেন তার সকল কিছুর মূলে মন্ত্রীপরিবারের সহায়তা এবং সেই পথ ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের সহযোগিতা। এটা তিনি নানা সময়ে স্বীকারও করেছেন, ভবিষ্যতেও করবেন বলে ধারণা। তবে তার সাম্প্রতিক যে বক্তব্য, যে অশোভন ইঙ্গিত সেটা তার উচিত হয়নি; বিশেষত আওয়ামী লীগকে উদ্দেশ করে ‘গণ্ডারের চামড়া’র সঙ্গে তুলনা। বিএনপির রাজনীতি করেন বলে তিনি খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, এম সাইফুর রহমানের বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে বলতেই পারেন, কিন্তু এখানে ‘গণ্ডারের চামড়া’র সঙ্গে তুলনা করা উচিত হয়নি তার। এইধরনের শব্দ প্রয়োগ দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে না। এইধরনের শব্দপ্রয়োগের মাধ্যমে সিলেটের রাজনৈতিক সহনশীলতার যে পরিবেশ সেখানে বড়ধরনের যে আঘাত লেগেছে এটা ত প্রমাণিত।

আরিফ একটা রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বলবেন ‘গণ্ডার’, অধ্যাপক জাকির ইঙ্গিতে বলবেন ‘কুকুর’, আসাদ উদ্দিন আহমদ আরিফের উদ্দেশে বলবেন ‘কার হগদায় খাওগো বান্দি, ঠাকুর চিনো না’— এগুলো সিলেটের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নয়। এগুলো উসকানি, এগুলো পরিবেশ বিনষ্টের ইঙ্গিত। সৌহার্দ্য ও সহনশীলতা বিনষ্টের যে ইঙ্গিত মিলছে এর শুরুটা করেছেন বলে দায় মেয়র আরিফের ওপর বেশি বর্তায়, একই সঙ্গে অন্যরাও এই অভিযোগ এড়াতেও পারেন না।

আমরা যারা সিলেটের সাধারণ বাসিন্দা তারা স্থানীয় শীর্ষ রাজনীতিবিদদের এমন ভূমিকায় বিব্রত। দাবি করি পুরনো পরিবেশ ফিরিয়ে আনার। রাজনৈতিক সহনশীলতার যে পরিবেশ সিলেটে ছিল এতদিন, এমন পরিবেশ অব্যাহত থাকুক।

DBBL Agent Banking Cash In Cash Out