অপরাজেয় বাংলা :: Aparajeo Bangla

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৩২

খ ম হারূন

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পিএম, ১ জুলাই ২০২১ বৃহস্পতিবার   আপডেট: ০১:৩৪ পিএম, ১ জুলাই ২০২১ বৃহস্পতিবার

শঙ্কিত পদযাত্রা

ধারাবাহিক আত্মকথা

। খ ম হারূন ।

খ্যাতিমান টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব খ ম হারূন। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন দেশের টেলিভিশন এবং মঞ্চের সাথে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের স্বর্ণময় সময়ে যে কয়েকজন নির্মাতা-প্রযোজকের নাম ছোট পর্দার কল্যাণে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে খ ম হারূন তাদের একজন। দীর্ঘ বর্ণিল ক্যারিয়ারে অসংখ্য উল্লেখযোগ্য কাজ করেছেন তিনি। এখনো রয়েছেন সমান সক্রিয়। দেশের গণমাধ্যম জগতের বরেণ্য এই ব্যক্তিত্বের আত্মকথা ‘শংকিত পদযাত্রা’ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে অপরাজেয় বাংলা’য়।

[পর্ব-৩২]

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে (নিমকো) যোগদান করি ২০০১ সালের ৩১ ডিসেম্বর। আমি এবং হামিদ ভাই (ম হামিদ) একই দিনে। নিমকোতে আসার সময় তথ্য সচিব মার্গুব মোরশেদ বলেছিলেন ‘হারূন আপনাকে ওখানে তিন মাসের বেশী থাকতে হবে না, এর মাঝে আমি আপনাকে বিটিভিতে ফিরিয়ে আনবো।’ যদিও তিনি সে কথা রাখতে পারেননি নানাবিধ কারনে। বছর পাঁচেক পরে শ্রেষ্ঠ গণমাধ্যম ব্যক্তি’র জন্য নির্ধারিত একটি পুরস্কার দু’জন প্রাক্তন সচিব আসাফউদ্দৌলাহ এবং মার্গুব মোরশেদ আমার হাতে তুলে দেন। সে সময় প্রকাশ্য সভায় আমি মার্গুব মোরশেদ স্যারকে প্রশ্নটি করেছিলাম। তিনি মোটেও বিব্রত হননি, বলেছিলেন ‘হারূন, সে সময় যদি আমার জায়গায় আপনি থাকতেন, তাহলে আপনি নিজেই বুঝতে পারতেন কেনো সম্ভব হয়নি।’ 

নিমকোতে আমি বেশ আনন্দেই ছিলাম। আমি, ম. হামিদ ও বার্তা বিভাগের পরিচালক শেখ সালেক তিনজনই বিটিভি থেকে নির্বাসিত। কাজের মাঝেও প্রতিদিন নানা গল্পগুজব আর আড্ডা চলে। আড্ডার প্রধান আকর্ষন ক্যাপ্টেন সুজাউদ্দিন। তিনি তখন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক। লম্বা, সুদর্শন, চিরকুমার এবং একইসাথে চলচ্চিত্রের জন্য নিবেদিত একজন মানুষ। সে সময় বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনেরও সভাপতি ছিলেন তিনি। তার কারনে নিমকোর কাজ আমাদের কাছে অনেক আনন্দময় হয়ে ওঠে। ক্যাপ্টেন সুজা ২০০৪ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব হয়ে নিমকো থেকে চলে যান, তার আগে তাকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছিলো কিন্তু দায়িত্বভার পাননি। নিমকোতে আমি বেশ কিছু টিভি কোর্স পরিচালনা করেছি। এরপর মিডিয়া বিষয়ে শিক্ষকতার প্রতি আমার আকর্ষণ বৃদ্ধি পায় যা আজও অব্যাহত আছে। সে সময়ে নিমকোতে সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম তথ্য ক্যাডারের কর্মকর্তা আবু তৈয়ব, নাসিরঊদ্দিন, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, নজরুল ইসলাম সহ আরো অনেককে। ক্যাপ্টেন সুজা চলে যাবার পর মহাপরিচালক হিসেবে আসেন মাহবুবুর রহমান। তিনিও একজন উদারপন্থি মানুষ ছিলেন। 

বিটিভিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যে পরিমান কাজের মাঝে ডুবে থেকেছি নিমকোতে এসে দেখি হাতে অফুরন্ত সময়। তখন সিদ্ধান্ত নেই আবার মঞ্চ নাটক নির্মাণ করবো। থিয়েটার গ্রুপের সাথে আমার সম্পর্ক ভালো। নাট্যচক্রের প্রতিষ্ঠাকালীন সময় (১৯৭২) থেকে ওই প্রতিষ্ঠানে ছিলাম দশ বছর। অনেকগুলো নাটক পরিচালনা করেছি নাট্যচক্রে। প্রথমদিকে অভিনয়ও করেছি। এনএসডি (১৯৭৬-৭৯) থেকে ফিরে আসার পর আর অভিনয়ে আকর্ষন বোধ করিনি। এরপর বিটিভিতে যোগদানের কারণে মঞ্চ নাটক নির্দেশনা থেকে কিছুদিন বিরত থাকি। তবে এর মাঝে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের ‘অচলায়তন’, থিয়েটারের ‘ওথেলো’ এবং ঢাকা লিটল থিয়েটারের ‘হীরক রাজার দেশে’ নাটকের কস্টিউম ডিজাইন ও সেট ডিজাইন করেছিলাম। ১৯৮৯ সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নাটক ও নাট্যতত্ত্ব’ বিভাগে খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ক্লাস নিতাম সেট ও কস্টিউম ডিজাইনের উপর।

২০০২, থিয়েটার এর নিজস্ব কার্যালয় তখন বেইলি রোডে গাইড হাউসের তিনতলায়। রেজাউল একরাম রাজু এর আগে ঐ ফ্লোরটি নিয়ে নিজেই থিয়েটার এর জন্য একটি কেন্দ্র বানিয়ে ফেলে। রিহার্সেল কক্ষ ছিলো বিশাল। এছাড়া মমতাজউদ্দিন আহমদ, রেজাউল একরাম রাজু এবং আমার বসার জন্য আলাদা একটি কক্ষও তৈরি করা হয়। সে সময় আমি ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের জন্য দুটি ছবি তৈরি করার কাজ পাই। ঐ কাজ করে যে লাভটা থাকে তার পুরোটা দিয়ে থিয়েটার কার্যালয়ের ইন্টেরিয়র এবং আসবাবপত্রের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়। 

প্রতিদিন নিমকো থেকে দুপুরে বাসায় চলে আসি তারপর বিকেলে চলে যাই বেইলি রোডে থিয়েটার কার্যালয়ে। আমি ঐ সময় মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর ছোটোগল্প ‘বলদ’ এর মঞ্চ নাট্যরূপ দেবার পরিকল্পনা করি। প্রতিদিন রিহার্সেল থাকে। একদল দক্ষ অভিনেতা-অভিনেত্রীর অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরী হয় ‘বলদ’।

মহিলা সমিতি মঞ্চে ‘বলদ’ এর প্রথম প্রদর্শনী হয় ২০০২ সালের অক্টোবরে। নাটকের প্রথম প্রদর্শনীর সন্ধ্যায় মহিলা সমিতিতে লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, তাজউদ্দিন কন্যা মুক্তিযুদ্ধ গবেষক সিমিন হোসেন রিমি সহ অনেক গন্যমান্য ব্যক্তি এবং বিভিন্ন গ্রুপের নাট্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রথম প্রদর্শনীর সফল মঞ্চায়নের পর ‘বলদ’ নাটকটির আরো প্রায় একশো’র কাছাকাছি মঞ্চায়ন হয় দেশে এবং ভারতে। মুক্তিযুদ্ধে রাজাকার তৈরীর গল্প উঠে এসেছে এই নাটকের গল্পে। নাটকটি ছিলো থিয়েটার এর ২৬তম প্রযোজনা। এই নাটকে বিভিন্ন চরিত্রে রূপদান করেছিলেন- কেএস ফিরোজ, জাহিদ হোসেন শোভন, রেবেকা আশরাফ মনি, রহমতউল্লাহ তুহিন, রেজাউল করিম রাজু, আফরোজা বানু, রোকসানা ফেরদৌসী, শামসুদ্দিন মিঠু, অশোক রায় নন্দী, প্রদীপ বণিক, সিরাজুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবীর,  নরেশ ভূঁইয়া, সিদ্দিকুর রহমান, সোহেল রানা এবং একটি বিশেষ চরিত্রে কেরামত মাওলা। মন্চ ব্যবস্থাপনায় শাহরিয়ার ইসলাম।

নাটক: বলদ
মুল: মুহম্মদ জাফর ইকবাল 
নাট্যরূপ: গাজী রাকায়েত
নির্দেশনা: খ ম হারূন
প্রথম মঞ্চায়ন: ২২ অক্টোবর ২০০২

বলদ নাটকটি যখন ঢাকার মঞ্চে একটি সাহসি প্রযোজনা হিসেবে চলমান, সে সময়ে ২০০৪ সালের শেষের দিকে হঠাৎ একদিন রাজকীয় ডেনিস দূতাবাস থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করেন আমার ঘনিষ্ঠ দূতাবাসের একজন সিনিয়র অফিসার মুনতারীন মহল। তিনি একজন সঙ্গীতশিল্পী। ইতিপূর্বে মঞ্চে তিনি সপরিবারে আমার ‘বলদ’ নাটকটি দেখেছেন। ২০০৫ এ বিশ্বখ্যাত ডেনিস লেখক হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান আ্যান্ডারসনের দুইশত বছর পালিত হবে সারাবিশ্বে। ঢাকার ডেনিস দূতাবাসও কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। মুনতারীন মহল একদিন তার দূতাবাসে আমাকে আমন্ত্রণ জানালেন। তখন ঢাকায় ডেনিস রাষ্ট্রদূত ছিলেন নিলস্ সেভেরিন মুঙ্ক। বাংলাদেশের প্রতি তার আলাদা ভালোবাসা ছিল। আমরা আলোচনায় বসলাম। সিদ্ধান্ত হলো হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান আ্যান্ডারসনের একটি গল্পের নাট্যরূপ দিয়ে তা মঞ্চস্থ করা হবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালায়। নির্দেশনা সহ প্রকল্পের সব দায়িত্ব আমাকে দেয়া হলো। বিশাল পরিকল্পনা। আ্যান্ডারসন রচনাবলীর একটি খন্ড (ইংরেজী অনুবাদ) পাঠালাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের কাছে। তিনি সেখান থেকে The Emperor’s New Clothes গল্পটি নির্বাচন করে নাট্যরূপ দিলেন। নাম- হাজার পোষাকী রাজার গল্প। সবার খুব পছন্দ হলো নামটি। নাটকটি নির্দেশনা দেবার সময় বেশ কিছু গানে সুর দিতে হলো। নাচেরও প্রধান্য ছিলো নাটকটিতে। শিল্পকলা একাডেমীর সঙ্গীত পরিচালক এনায়েত মাওলা জিন্নাহ সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। তিনি তার দলবল নিয়ে কাজে নেমে পরলেন। আর দেশের বিশিষ্ট নৃত্যপরিচালক কবিরুল ইসলাম রতন দায়িত্ব নিলেন নৃত্যের। তার গ্রুপের একদল শিল্পীকে তিনি কাজে লাগালেন এই নাটকে।

নাটকে একজন সম্রাট ও তার স্ত্রী প্রতিদিন নিত্য নতুন পোষাক নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। উজির-নাজিররা সবকিছুতেই রাজাকে তোষামোদ করে চলে। হ্যাঁ বললে হ্যাঁ, না বললে না। এক সময় রাজ্যে দুজন ধূর্ত ব্যাক্তি আসে ভিনদেশ থেকে। তারা দেখে এদেশের সহজ সরল মানুষকেতো বোকা বানানো খুব সোজা। তারা এই রাজ্যে থেকে যাবার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ এদেশে ধনী হওয়া কোনো কষ্টের বিষয় নয়, শুধু রাজাকে তোষামোদ করে করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিতে হবে।

যেহেতু রাজার নতুন নতুন পোষাকের প্রতি দুর্বলতা সেহেতু রাজাকে পোষাকের প্রলোভনে ফেলে বোকা বানাতে হবে। সঙ্গীত-নৃত্য-নাট্যের মধ্য দিয়ে নাটকে এক মজার আবহ তৈরি হয়। নানা ধরনের তোষামোদ আর আমোদের মাঝে ব্যস্ত সময় কাটান রাজা-রানী। শেষ দৃশ্যে দেখা যায় রাজা পোষাকহীন। একজন বালকের সত্যকথনে রাজা বুঝতে পারে সে এখন উলঙ্গ, তাই সে মঞ্চ থেকে পালাতে ব্যস্ত। নাটকের সফল মঞ্চায়ন হয় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীতে।

নাটক: হাজার পোশাকী রাজার গল্প
গল্প:  হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান আ্যান্ডারসন
নাট্যরূপ: সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
নির্দেশনা: খ ম হারূন
প্রথম মন্চায়ন: ৭ এপ্রিল ২০০৫

নাটকে রাজার চরিত্রে অভিনয় করে রেজাউল একরাম রাজু এবং রানীর চরিত্রে জাকীয়া বারী মম। এই নাটকে মম এসেছিলো নাচ করতে। সে কবিরুল ইসলাম রতনের কাছে নাচ শিখতো, উচ্চ মাধ্যমিকের ছাত্রী। রানী চরিত্রের জন্য আমি মমকে নির্বাচিত করলাম যদিও সে থিয়েটার গ্রুপের সদস্য নয়। রাজুর সাথে সমান দক্ষতায় সে মঞ্চকে ধরে রাখে। নাচের শিল্পী হবার কারণে তার কিছু বাড়তি সুবিধা ছিলো। এই নাটকের পর মম আর নাটক থেকে দূরে থাকেনি। উচ্চ মাধ্যমিকের পর সে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হয়। এই নাটকে আরো যারা উল্লেখযোগ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন- রনজিত সাহা, সোহেল রানা, ফায়জুর রহিম ডিউ, মাসুম চৌধুরী, সিদ্দিকুর রহমান, কামরুল ইসলাম দিপু এবং মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় শাহরিয়ার ইসলাম। 

বাংলাদেশে গ্রুপ থিয়েটার কর্মী যারা নাটকের নেপথ্যে কাজ করে বা অভিনয় করে, তা করে সম্পূর্ণ নিজের ভালোবাসা থেকে, নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে। ‘বলদ’ নাটকটির এতোগুলি প্রদর্শনী এভাবেই হয়েছিলো। কিন্তু ‘হাজার পোষাকী রাজার গল্প’ নাটকের জন্য ডেনিস দূতাবাস প্রযোজনা সংক্রান্ত সকল ব্যয় বহন করেছিলো। ফলে নাটকের সকল অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং কলাকুশলীদের সম্মানী প্রদান করা সম্ভব হয়। নাটকের সেট, কস্টিউম, সঙ্গীত ও কোরিওগ্রাফির জন্যও প্রয়োজনমতো খরচ করতে পারি। এরপর পুরো নাটক চারটি টিভি ক্যামেরায় ধারণ করে, এডিটিং করে টেলিভিশনেও সম্প্রচারের ব্যবস্থা করি। ‘হাজার পোষাকী রাজার গল্প’ এখন ইউটিউবেও খুঁজে পাওয়া যায়।
 

চলবে...

আগের পর্ব পড়ুন

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৩১

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৩০

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৯

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৮

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৭

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৬

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৫

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৪

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২৩

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২২

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২১

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২০

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৯

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৮

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৭

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৬

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৫

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৪

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১৩

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১২

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১১

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ১০

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৯

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৮

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৭

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৬

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৫

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৪

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ৩

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব ২

ধারাবাহিক আত্মকথা । শংকিত পদযাত্রা । খ ম হারূন । পর্ব